Dhakar purono Shohorer ekti boro barite thakto Arifin। Bariti pray ১০০ bochorer purono। Arifin ekti private company-te kaj kore ebong pray-i ratre deri kore bari phere। Ek din ratre, jakhon charidike nishshobdo, Arifin tar boro barir chade ekti odbhut shobdo shunte pelo। Mone holo keu jeno bhari kono kichu tene niye jachhe।
Arifin bhablo hoyto idur ba biral hobe। Kintu porer din she dekhlo tar barir chader doraja-ti, ja pray ۱۰ bochor dhore bondho chhilo, sheti ektu phak hoye ache। She bhitore dhuke dekhlo charidike dhulo ebong makorshar jale bhora। Kintu ekti jinish tar chokh e porlo—ekti purono wall clock, ja ekhono cholche। Ajob bishoy holo, ghori-ti ulto dike ghurche!
Shei rat theke-i Arifin-er sathe odbhut shob ghotna ghot-te shuru korlo। She jakhon-i aynar samne daray, tar mone hoy tar pichone keu ekjon darie ache। Kintu pichone fire takale keu nei। Tar mone hote laglo barir ei purono "Attic" ba chader kothati take dakche।
Arifin ekti purono diary khunje pelo shei kotha theke। Diary-ti chhilo tar dadar, jini pray ৩০ bochor age nikhonj hoye giechilen। Diary-r shesh patay lekha chhilo: "Samoy kokhono thame na, kintu ekhane samoy pichone hate। Jara pichone fire takay, tara harie jay।"
Arifin bujhte parlo shei ulto ghora ghoti-ti holo ekti "Time Portal" ba shomoyer ekti phand। She jakhon-i shei ghortite thake, tar chokher samne tar otiter shob bhul ebong dukhkho gulo vese othe। She dekhlo tar dadake, jini ekhono shei ghore-i bondho hoye achen, kintu onno ekti "Dimension"-e।
Golpoti shesh hoy eivabe—Arifin shei ghorti bondho korar cheshtha kore, kintu she dekh-te pay tar nijer chaya-ti aynar moddhe atke geche। She bujhte pare, she-o ekhon shei barir ekti ongsho hoye geche। Purono barir shei "Shadow" ekhon Arifin nijei।
-----------------------------------------------
>
BANGLA VERSION
ঢাকার পুরনো শহরের ঘিঞ্জি গলিগুলোর মাঝে একটি বিশাল পুরনো অট্টালিকা। বাড়িটি প্রায় ১০০ বছরের পুরনো, নোনা ধরা দেয়াল আর শ্যাওলা পড়া জানলাগুলো যেন কোনো এক বিস্মৃত সময়ের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আরিফিন এই বাড়িতে একা থাকে। সে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে এবং কাজের চাপে প্রায়ই রাতে বাড়ি ফিরতে তার বেশ দেরি হয়ে যায়।
এক রাতে, যখন চারদিক একদম নিস্তব্ধ, আরিফিন তার পড়ার ঘরে বসে কাজ করছিল। হঠাৎ সে বাড়ির ছাদের দিক থেকে একটি অদ্ভুত শব্দ শুনতে পেল। মনে হলো, ভারী কোনো কিছু কেউ মেঝেতে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। প্রথমে সে ভেবেছিল হয়তো ইঁদুর বা বিড়াল হবে। কিন্তু শব্দটা ছিল বেশ ছন্দময় এবং ভারি। কৌতূহলী হয়ে আরিফিন ছাদে গেল। সে দেখল ছাদের কোণের সেই ছোট্ট ঘরটি, যা গত ১০ বছর ধরে তালাবদ্ধ ছিল, তার দরজাটা সামান্য ফাঁক হয়ে আছে।
আরিফিন যখন ঘরের ভেতরে ঢুকল, এক ভ্যাপসা ধুলোর গন্ধে তার দম বন্ধ হয়ে আসছিল। চারদিকে মাকড়সার জাল আর ভাঙা আসবাবপত্রের স্তূপ। তবে তার নজর কাড়ল ঘরের দেয়ালে ঝোলানো একটি পুরনো ঘড়ি। আশ্চর্যের বিষয় হলো, ঘড়িটি সচল, কিন্তু তার কাঁটাগুলো উল্টো দিকে ঘুরছে!
সেই রাত থেকেই আরিফিনের সাথে অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটতে শুরু করল। সে যখনই আয়নার সামনে দাঁড়ায়, তার মনে হয় তার ঠিক পেছনেই কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু ঝট করে পেছনে ফিরে তাকালে কাউকেই দেখা যায় না। তার মনে হতে লাগল, ছাদের সেই পুরনো ঘরটি যেন তাকে প্রতিনিয়ত ডাকছে।
পরদিন আরিফিন সেই ঘর থেকে একটি পুরনো ডায়েরি খুঁজে পেল। ডায়েরিটি ছিল তার দাদার, যিনি প্রায় ৩০ বছর আগে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। ডায়েরির শেষ পাতায় কাঁপা কাঁপা হাতে লেখা ছিল: "সময় কখনো থামে না, কিন্তু এখানে সময় পেছনে হাঁটে। যারা একবার অতীতে ফিরে তাকায়, তারা বর্তমানের পথ হারিয়ে ফেলে।"
আরিফিন বুঝতে পারল, সেই উল্টো ঘোরা ঘড়িটি আসলে সময়ের একটি ফাঁদ বা 'টাইম পোর্টাল'। সে যখনই সেই ঘরে বেশিক্ষণ থাকে, তার চোখের সামনে তার অতীতের সব ভুল, দুঃখ আর স্মৃতিগুলো জীবন্ত হয়ে ভেসে ওঠে। একদিন সে সেই ঘরের অন্ধকার কোণে এক বৃদ্ধকে বসে থাকতে দেখল। ভালো করে তাকিয়ে সে শিউরে উঠল—মানুষটি আর কেউ নয়, তার হারিয়ে যাওয়া দাদা! তিনি এখনো সেই ঘরেই বেঁচে আছেন, কিন্তু অন্য এক ডাইমেনশনে বা অন্য এক সময়ে আটকে পড়েছেন।
গল্পের শেষ হয় এক মর্মান্তিক মোড়ে—আরিফিন যখন সেই অভিশপ্ত ঘরটি চিরতরে বন্ধ করার চেষ্টা করে, সে দেখতে পায় আয়নার ভেতরে তার নিজের প্রতিবিম্বটি তার থেকে আলাদা হয়ে নড়াচড়া করছে। সে বুঝতে পারে, সে নিজেও এখন সেই বাড়ির একটি ছায়ায় পরিণত হয়েছে। পুরনো অট্টালিকার সেই রহস্যময় 'ছায়া' এখন আর অন্য কেউ নয়, খোদ আরিফিন নিজেই।
